নজর লাগা (নজর-এ-বাদ)
নজর লাগা এমন এক বাস্তব প্রভাব, যার অস্বীকার সম্ভব নয়। এটি বড়, ছোট এমনকি পশু-পাখির ওপরও পড়ে এবং বিভিন্ন রকমের প্রভাব ফেলে। যেমন—কোনো মেয়েকে নজর লাগে এবং তার বিয়ের প্রস্তাব বারবার ভেঙে যায়; কোনো পুরুষকে নজর লাগে, তার মস্তিষ্ক দুর্বল হয়ে পড়ে, চিন্তা-শক্তি কমে যায়, এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটে।
দুধ-দেওয়া প্রাণী যদি নজরবিদ্ধ হয়, তবে তারা দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেয়, কিংবা দুধের পরিবর্তে থন থেকে রক্ত বের হতে থাকে, অথবা দুধে মাখনের পরিমাণ কমে যায়।
(ক) যদি মেয়ের বিয়ের প্রস্তাবগুলো বারবার ভেঙে যায় এবং মনে হয় যে এর কারণ নজর, তাহলে মেয়ের মা বা মেয়ে নিজেই سورہ الحمد পড়বে। যখন إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ-এ পৌঁছাবে, তখন এই আয়াতটি ১১ বার পড়ে পুরো সূরা সম্পূর্ণ করবে এবং পানির উপর ফুঁ দেবে।
এভাবে মোট ১১ বার সূরা পড়ে প্রতিবারই পানির উপর দম দিতে হবে। তারপর সেই পানি তিন চুমুকে মেয়েকে খাওয়ানো হবে অথবা মেয়ে নিজে আমলটি করে সেই পানি পান করবে।
আমলের মেয়াদ—৪০ দিন।
(খ) যদি বিয়েতে বাধা ছাড়া সাধারণ নজর দূর করতে হয়, তবে নিচের তাবিজটি লিখে কয়েক মিনিটের জন্য মাথার উপর রেখে দিন, তারপর জ্বালিয়ে ফেলুন।
একটি তাবিজে নজরবাদের প্রভাব দূর না হলে, তিনটি তাবিজ যথেষ্ট হবে।

গ) পশুদের উপর থেকে নজর (বুরে নজর) দূর করার জন্য একই বেরি গাছের কাঠে বা এমন কোনো কাঠে লিখুন যার থেকে দুর্গন্ধ না আসে, এবং তা প্রভাবিত পশুটির গলায় বেঁধে দিন।