Topics

মৃগী রোগ (Epilepsy)

কখনও কখনও চিন্তা এত বেশি জমে যায় যে মস্তিষ্কের সেই ক্ষমতা, যা চিন্তাগুলোকে ভাগ করে নিয়ন্ত্রণ করে, তা ব্যাহত হয়ে যায়। যদি এমন অবস্থায় রোগীর সামনে পানি থাকে, তাহলে মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দেয় এবং মৃগীর আক্রমণ শুরু হয়। যতক্ষণ এই চিন্তার ভিড় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে, রোগী অচেতন থাকে; যখন তা ছড়িয়ে যায়, তখন রোগী চেতনা ফিরে পায়।
আক্রমণের সময় সমস্ত স্নায়ু সাময়িকভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে, তাই রোগী দেরিতে নড়াচড়া করতে পারে। এর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা হলো— রোগীর মাথা মাটি থেকে হাতে রেখে মাত্র এক ইঞ্চি উপরে তুলতে হবে, এর বেশি নয়। দুই-তিনবার হালকাভাবে মাথা নেড়ে দিতে হবে। এতে খিঁচুনি থেমে যাবে। তবে চোখের মণির গতিবিধি কিছু সময় পর্যবেক্ষণ করতে হবে, যাতে মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত কোষগুলো দৃষ্টির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে এবং চেতনা ফিরে আসে। মৃগী রোগের একটি লক্ষণ হলো— চোখের মণি কিছুটা উপরের দিকে সরে যায়।

Topics