পোলিও
যদি টাইফয়েড জ্বর সম্পূর্ণ সময় শেষ হওয়ার আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়, তবে অনেক সময় শিশুদের পোলিও রোগ দেখা দেয়। এখন এই রোগ এতটাই সাধারণ হয়ে গেছে যে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।
এক চিমটি চিনি ও একটি অতিসূক্ষ্ম সূঁচ নিতে হবে। স্টেইনলেস স্টিল বা রুপার বাটিতে দুই-তিন চুমুক পানি নিতে হবে। একবার
يَا وَدُودُ পড়ে সূঁচের উপর ফুঁ দিতে হবে এবং সূঁচের মাথা চিনিতে ছুঁইয়ে পানিতে ডুবাতে হবে। এরপর সূঁচটি একদম পরিষ্কার সাদা কাপড়ে ভালোভাবে মুছে শুকিয়ে নিতে হবে যাতে সূঁচে পানির কোনো চিহ্ন না থাকে।
এইভাবে সূঁচ ডোবানোর কাজ ১০১ (একশ এক) বার করতে হবে। এরপর সেই পানিতে জাফরান মিশিয়ে কালি (রোশনাই) তৈরি করতে হবে, এবং এই কালি দিয়ে তাবিজ লিখতে হবে।

তিনটি চীনামাটির থালায় লিখে সকালে, বিকেলে ও রাতে পানিতে ধুয়ে সেই পানি রোগীকে খাওয়াতে হবে। একই তাবিজ সেই কালি দিয়ে এক বিঘৎ মাপের মোটা ও মসৃণ কাগজে লিখে আক্রান্ত স্থানে দিনে তিনবার ঘড়ির কাঁটার দিক অনুযায়ী মালিশ করতে হবে। কাগজ ছিঁড়ে গেলে নতুন কাগজে আবার তাবিজ লিখে ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি, তাই ধৈর্য, বিশ্বাস ও আগ্রহসহ চালিয়ে যেতে হবে—ইনশাআল্লাহ উপকার নিশ্চিত। খাদ্যে ঠান্ডা, বায়ুজনিত ও নোনতা জিনিস সম্পূর্ণভাবে বর্জন করতে হবে।
দ্রষ্টব্য: আক্রান্ত অঙ্গে লাগানোর তাবিজে بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ লেখা যাবে না।