Topics

যকৃতের রোগ

উপকারী খাদ্য

যকৃতের বাড়তি তাপ সমন্বয় করতে আনারস, লেবু, কমলা, আঙুর আপেল খুব উপকারী। বাদামও উপকারী। যাদের পাকস্থলী দুর্বল নয়, তারা কলা অবশ্যই খাবেএটি শরীরকে ভালো খাদ্য দেয় এবং যকৃতের শক্তি বাড়ায়। ডালিমের পানি (আবে-আনার) যকৃতের প্রদাহ কমাতে উপকারী। সরিষা শাক, কুমড়া, পীচ, করলা, জাম, তুঁত, লেবু, ফালসা, আখ, খুরফা শাক বথুয়া শাক উপকারী। সুস্থ খাসির কলিজার ঝোল তুরঞ্জও উপকারী।
ক্ষতিকর খাদ্য

রসুন, জাফরান, লাল মরিচ যকৃতের তাপ বাড়াতে সহায়ক।
কিডনির রোগ

উপকারী খাদ্য

কিডনি দুর্বলতায় আম বিশেষভাবে উপকারী। পেস্তার শাঁস কিডনির ক্ষীণতা দুর্বলতায় নাফে এছাড়া বাদামের শাঁস, চিলগোজার শাঁস আঙুরও কিডনি শক্তিবর্ধক। সবজির মধ্যে শালগম, বথুয়া শাক, মূলার লবণ এবং হিং খুব উপকারী। অনেক সময় কিডনিতে অপরিপক্ব বর্জ্য জমে কিডনির কাজ নষ্ট করে; লেবু তুরঞ্জের রস সেই বর্জ্য বের করতে সাহায্য করে এবং কিডনির কাজকে সক্রিয় করে।

ক্ষতিকর খাদ্য

গরম মসলা, ঝাল মরিচ, ডিম, ভাজা মাছ, গরুর মাংস, চিংড়ি, চা, কফি এবং সব গরম-শুষ্ক জিনিস ক্ষতিকর।

Topics


রং ও আলোর মাধ্যমে চিকিৎসা {Bangla}

খাজা শামসুদ্দিন আজিমী।