হৃদয় ও কসমিক রে
লক্ষণীয় বিষয় হলো, হৃদপিণ্ডের স্পন্দন ও পাম্পিং ব্যবস্থা জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কসমিক রে দ্বারা পরিচালিত হয়। তবে এই কসমিক রেগুলো সাধারণত ভারসাম্যপূর্ণ থাকে এবং দেহে প্রবেশ করে ত্বকের রন্ধ্রপথে। এগুলো সর্বক্ষণ হৃদপিণ্ডকে সচল রাখে। তবে সবচেয়ে কার্যকর কসমিক রে হলো সেগুলো, যা মস্তিষ্কের রন্ধ্রপথে প্রবেশ করে। এসব রশ্মির অসংখ্য প্রকার রয়েছে এবং মস্তিষ্কে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই অগণিত কোষে ক্রিয়া করে।
এই সব বৈদ্যুতিক প্রবাহ প্রধানত উম্মুদ্দিমাগের মাধ্যমে সারা শরীরে পৌঁছে। প্রবাহের বণ্টন সঠিক হলে মানুষ সুস্থ থাকে এবং হৃদপিণ্ড সঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালন করে। উল্লেখযোগ্য যে হৃদপিণ্ডের অসংখ্য শিরা-উপশিরা নিজ নিজ কাজ করে। যদি কিছু শিরা সঠিকভাবে কাজ না করে, তবে তার প্রভাব পুরো স্নায়ুতন্ত্রে পড়ে। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা করা হলে রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।