যে হাড়কে হাঁসলি বলা হয়, তা ঘাড়ের চারপাশে বৈদ্যুতিক প্রবাহের পথ। এই প্রবাহ উম্মুদ্দিমাগ থেকে আসে। এই হাড় ভেঙে গেলে উম্মুদ্দিমাগের তন্তুগুলোতেও ত্রুটি সৃষ্টি হয়। এই ত্রুটি কেবল স্থির বন্ধন (ব্যান্ডেজ) দিয়েই সংশোধন করা যায়, কারণ বন্ধনের মাধ্যমেই প্রবাহ আবার তার পূর্ববর্তী অবস্থানে ফিরে আসে। এ ক্ষেত্রে নীল আলো থেকে তৈরি তেল অত্যন্ত উপকারী; তবে তবুও গিঁট পড়ার সম্ভাবনা থাকে। এই গিঁট হাত–পা দিয়ে কাজ করা মানুষের জন্য তেমন ক্ষতিকর না হলেও মানসিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যত বেশি এই গিঁট দ্রবীভূত হবে, ততই তাদের জন্য মঙ্গলজনক।