Spiritual Healing

জ্বর এবং তার প্রকারভেদ

যখন উম্মুদ্‌দিমাগে (মস্তিষ্কের মূল অংশে) এই ধরনের বহু শূন্যস্থান সৃষ্টি হয় এবং বহু স্থানে বৈদ্যুতিক প্রবাহের ভিড় জমে যায়, তখন বিভিন্ন প্রকারের জ্বর দেখা দেয়। এসব জ্বরের মূল কারণ হলো বৈদ্যুতিক প্রবাহের হঠাৎ রঙ পরিবর্তন। রঙের এই আকস্মিক পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে জন্ডিস (ইয়ারকান) বলা হয়, এবং এটি একটি মারাত্মক রোগ। তবে যদি রোগী শুয়ে বিশ্রামে থাকে এবং খাদ্যতালিকায় নিষিদ্ধ বস্তু ব্যবহার না করে, তাহলে এর চিকিৎসা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে যায়। দ্বিতীয় প্রকার হলো টাইফয়েড, যাকে মানক জ্বরও বলা হয়। এর একটি নির্দিষ্ট সময়কাল থাকে; তবে সঠিক চিকিৎসা করা হলে দ্রুত আরোগ্য লাভ সম্ভব। তৃতীয় প্রকার হলো লাল জ্বর। এটি সাধারণ জ্বরের মতো নয়। এতে মুখমণ্ডলে তীব্র লালচে ভাব দেখা দেয়, হাত–পায়ে খিঁচুনি থাকে, অস্থিরতা দেখা দেয় এবং কখনো কখনো কোমরের নিচের অংশ সম্পূর্ণ অচল হয়ে যায়। রোগী তখন নড়াচড়া করতে পারে না। চতুর্থ প্রকার হলো মেনিনজাইটিস (ঘাড় ভাঙা জ্বর)। এতে যেখানে কোষে শূন্যতা সৃষ্টি হয়, সেখানে মিশ্র রঙের প্রবাহ পানি আকারে রূপ নেয়। এই পানি বের করে দিয়ে সঠিক চিকিৎসা করলে রোগ নিয়ন্ত্রণে আসে। পঞ্চম প্রকার হলো কালা জ্বর। এতে রোগীর শরীরের রঙ সম্পূর্ণ কালচে হয়ে যায়, তবে এটি অতটা মারাত্মক নয়। যথাযথ চিকিৎসা করলে দ্রুত আরোগ্য লাভ হয়।

Topics


রং ও আলোর মাধ্যমে চিকিৎসা {Bangla}

খাজা শামসুদ্দিন আজিমী।