Topics

ডায়াবেটিস ও যকৃতের আলসারের কারণ


যকৃত প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি, যেখানে সর্বদা অসংখ্য প্রকারের বৈদ্যুতিক প্রবাহ সক্রিয় থাকে। এর গঠন এতটাই দৃঢ় যে এর অবনতি শুরু হলেও অন্তত পনেরো বছর সময় লাগে একে সম্পূর্ণ অকেজো করতে। এতে লোহা ও গ্লাইকোজেন (মিষ্টি শক্তি)-এর বিশাল ভাণ্ডার থাকে। প্রকৃতপক্ষে গ্লাইকোজেনই দেহের প্রধান শক্তি। যকৃতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বৈদ্যুতিক তরঙ্গ অতিরিক্ত ও অকেজো কোষ আলাদা করে সুস্থ কোষগুলোকে রক্তে যুক্ত করে। যকৃতেও কখনো আলসার সৃষ্টি হয়। এর কারণ হলো অস্বাস্থ্যকর কোষের অতিরিক্ত বৃদ্ধি, যা মূলত খাদ্যের ওপর নির্ভরশীল। অতিরিক্ত ও ঘন ঘন খাদ্যগ্রহণের ফলে পাকস্থলীতে সঠিক পরিপাক হয় না, ফলে ধীরে ধীরে যকৃত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যকৃত সরাসরি পাকস্থলী ও অন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। অন্ত্রে অবস্থিত একটি বিশেষ অঙ্গ—অগ্ন্যাশয়—সমগ্র দেহের সুস্থতা বজায় রাখে। এটি প্রয়োজন অনুযায়ী ইনসুলিন উৎপাদন করে যকৃতকে সরবরাহ করে। ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস দেখা দেয়, যার প্রভাব স্নায়ুতন্ত্রে পড়ে।

Topics


রং ও আলোর মাধ্যমে চিকিৎসা {Bangla}

খাজা শামসুদ্দিন আজিমী।